স্পোর্টস ডেস্ক, পাবনা নিউজ ২৪:
মাঠে তাকে তুলে নেওয়া বা ট্যাকটিক্যাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে জল ঘোলা কম হয়নি। অবশেষে সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুললেন খোদ ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ব্রাজিলিয়ান এই উইঙ্গার সরাসরি জানিয়ে দিলেন, মাঠের সেই সিদ্ধান্তটি তার নিজের ছিল না, বরং সেটি ছিল সম্পূর্ণ কোচের পরিকল্পনা। ভিনির এমন মন্তব্যের পর ফুটবল পাড়ায় শুরু হয়েছে নতুন গুঞ্জন।
মাঠের সেই বিতর্কিত মুহূর্ত
হাইভোল্টেজ ম্যাচে যখন দলের জয় নিশ্চিত করতে মরিয়া আক্রমণ দরকার, ঠিক তখনই ভিনিসিয়ুসকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কোচ। ডাগআউটে ফেরার সময় ভিনির চোখে-মুখে স্পষ্ট হতাশা ও ক্ষোভের ছাপ দেখা যায়। একজন ইনফর্ম তারকাকে এভাবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তুলে নেওয়ায় ম্যাচ শেষেই সমালোচনার ঝড় ওঠে ফুটবল বোদ্ধা ও সমর্থকদের মাঝে।
মুখ খুললেন ভিনিসিয়ুস
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে যখন ভিনিসিয়ুসকে তার মাঠ ছাড়ার সিদ্ধান্ত এবং কোচের সাথে কোনো মনমালিন্য হয়েছে কি না জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি কিছুটা ক্ষোভের সুরেই বলেন, “মাঠে থাকা বা না থাকার সিদ্ধান্ত আমার নয়, কোচের ছিল। আমি সবসময় দলের জন্য ১০০ ভাগ দিতে প্রস্তুত থাকি এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠে লড়তে চাই। তবে দিনশেষে কোচের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতেই হয়।”
ভিনির এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু ধারালো মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, কোচের এই ট্যাকটিক্যাল পরিবর্তনের সাথে তিনি মানসিকভাবে মোটেও একমত ছিলেন না।
ড্রেসিংরুমের আবহাওয়া নিয়ে গুঞ্জন
ভিনিসিয়ুসের এই মন্তব্যের পর ফুটবল বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কোচের সাথে হয়তো ড্রেসিংরুমে ট্যাকটিক্স নিয়ে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বড় ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড়দের স্বাধীনতা এবং কোচের অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনেক সময়ই দলের ভেতর অসন্তোষের জন্ম দেয়। তবে কোচ এই বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কড়া প্রতিক্রিয়া জানাননি। সামনের ম্যাচগুলোতে ভিনির শুরুর একাদশে থাকা এবং তার গেম-টাইম কেমন হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ফুটবল বিশ্বের এমন সব গরম খবর, ম্যাচ বিশ্লেষণ এবং পর্দার পেছনের এক্সক্লুসিভ আপডেট সবার আগে পেতে পাবনা নিউজ ২৪-এর সাথেই থাকুন।
এসইও মেটা ডেসক্রিপশন (Meta Description):
“সিদ্ধান্ত আমার নয়, কোচের ছিল”—ম্যাচ শেষে মাঠ ছাড়ার বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। বিস্তারিত জানুন পাবনা নিউজ ২৪-এর স্পোর্টস ডেস্কে।